একই লাইনে সর্বোচ্চ ৮ জন
আমরা লাইন কতজনের মধ্যে ভাগ হয় সেটা লুকাই না। ৮-এর বেশি হলে পিক আওয়ারে স্পিড পড়ে যায়।
আমরা চট্টগ্রামের একটি ফাইবার ইন্টারনেট প্রোভাইডার। বড় বড় দাবির বদলে আমরা সংখ্যাগুলো খোলাখুলি বলি — লাইনে কত ঘর, আপটাইম কত, আর সমস্যা হলে কে ফোন ধরে।
আলফা নেটওয়ার্ক চট্টগ্রাম শহরে বাসা ও অফিসের জন্য ফাইবার ইন্টারনেট দেয়। এর বাইরে আমরা নেটওয়ার্ক সলিউশন, সিসিটিভি আর অফিসের মধ্যে ডেটা কানেক্টিভিটির কাজ করি।
বেশিরভাগ প্রোভাইডার শেয়ারিং রেশিও লুকিয়ে রাখে। আমরা তা প্যাকেজের পাশেই লিখে দিই। কারণ ব্যস্ত সময়ে আপনার লাইনের গতি ঠিক এই সংখ্যাটার উপরেই নির্ভর করে।
আমাদের নিজস্ব ফাইবার ব্যাকবোন, একাধিক আপস্ট্রিম রুট আর বিডিআইএক্স ও স্ট্রিমিং ক্যাশে সরাসরি সংযোগ আছে। একটি রুট বসে গেলে ট্রাফিক অন্য রুটে চলে যায়।
চারটি ধাপ — প্রতিটিই নেটওয়ার্ক নিয়ে সিদ্ধান্ত, বিজ্ঞাপন নিয়ে নয়।
চট্টগ্রামের একটি এলাকায় অল্প কিছু গ্রাহক নিয়ে যাত্রা শুরু। প্রথম দিন থেকেই একটাই নিয়ম — লাইনে যত ঘর, তা গ্রাহককে বলে দেওয়া।
ভাড়া করা লাইনের বদলে নিজেদের ফাইবার বসানো শুরু হয়, যাতে রাত আটটার ব্যস্ত সময়েও গতি ধরে রাখা যায়।
দেশের ভেতরের সার্ভারে সরাসরি রুট আর স্ট্রিমিং ক্যাশ যুক্ত হয় — ইউটিউব, ফেসবুক আর লোকাল এফটিপি কাছের সার্ভার থেকে আসতে শুরু করে।
চট্টগ্রাম শহরের ১৫টি থানার ২০০-র বেশি এলাকায় নেটওয়ার্ক পৌঁছে যায়, সাথে ২৪ ঘণ্টার সাপোর্ট টিম।
বড় বড় দাবি নয় — যা দিতে পারি তাই বলি।
আমরা লাইন কতজনের মধ্যে ভাগ হয় সেটা লুকাই না। ৮-এর বেশি হলে পিক আওয়ারে স্পিড পড়ে যায়।
আমরা ৯৯.৯৯% দাবি করি না। বছরে কয়েক ঘণ্টা ডাউনটাইম হয়, আর হলে আমরা জানাই।
অভিযোগ পাওয়ার পর টেকনিশিয়ান পৌঁছাতে গড়ে চার ঘণ্টা লাগে, শহরের ভেতরে।
ক্যাবিনেট থেকে আপনার রাউটার পর্যন্ত পুরোটাই ফাইবার — মাঝপথে তামায় নামে না।
ইনস্টলেশন আর মাসিক ফি ছাড়া কিছু নেই। ভ্যাট আলাদা করে জুড়ে দেওয়া হয় না।
আমাদের এনওসি, সাপোর্ট আর ফিল্ড টিম সবই এই শহরে। কল ঢাকায় যায় না।
প্রশ্ন কিংবা পরামর্শ—কথা বলুন আমাদের এক্সপার্ট টিমের সাথে।